শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০২:০৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
দেশের সকল জেলা, থানা/উপজেলা/ইউনিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে " স্বাধীন বার্তা ২৪ " এ চীফ রিপোর্টার, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে আগ্রহী প্রার্থীরা আজই যোগাযোগ করুন bdsadhinbarta24@gmail.com । প্রিয় পাঠক আপনিও “ স্বাধীন বার্তা ২৪ ” নিউজকে পাঠাতে পারেন আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কথা জানাতে পারেন আপনার অভিজ্ঞতা অথবা আপনিও হতে পারেন একজন সাংবাদিক । স্বাধীন বার্তা ২৪ এর সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকুন
শিরোনামঃ
পুলিশের সেবা সর্বত্র পৌছে দিতে সালথায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে’ অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে ফ্রান্সে বিশ্বনবী স. এর ব্যাঙ্গ চিত্রের প্রতিবাদে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’ এর মানববন্ধন সুনামগঞ্জে দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধির ছেলেসহ ৩জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, এলাকায় আতংক কেশবপুরে ছাত্রলীগের নেত্রী পায়েল রহমান ইভার জন্মদিন পালিত মহানবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ প্রদর্শনের প্রতিবাদে পলাশে বিক্ষোভ ফ্রান্সে হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর বিরুদ্ধে কুটউক্তি ও ব্যাঙ্গ করায় কায়েমকোলা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক রাজধানীর চকবাজারে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত যশোর ঝিকরগাছায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২জন, আহত ৩ জন। ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ) কে ব্যঙ্গ করায় সিরাজদিখানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আজ ২৪ সেপ্টেম্বর, ‘মীনা দিবস’

শামিম হোসেন / ৬৯ বার
আপডেট সময় বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০




স্টাফ রিপোর্টার, যশোর। মীনা শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় বাংলা কার্টুন। ইউনিসেফ এই কার্টুন ছবিটি তৈরি করে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মেয়েশিশুদের অধিকার রক্ষার তাগিদ থেকে মীনা কার্টুনের জন্ম। কার্টুনের মূল চরিত্র মীনা আট বছর বয়সের একটি কন্যাশিশু। সে তার পরিবারের সঙ্গে একটি ছোট গ্রামে বাস করে। শিশু অধিকার, শিশুদের পড়ালেখা, স্বাস্থ্যসচেতনা, শিশুপাচার প্রভৃতি বিষয় ওই চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।

কার্টুনের প্রধান চরিত্র মীনা সবার খুব প্রিয়। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েশিশুদের একান্ত পরিচিত প্রতীক হচ্ছে মীনা। সে হচ্ছে সমাজ পরিবর্তনের প্রতিনিধি।

নয় বছরের মেয়েটির কাজই হলো কিসে সবার ভালো হবে, তা দেখা। মীনার জন্ম ১৯৯২ সালে। দেখতে দেখতে ২৬ বছর পার হলেও মীনা আটকে আছে সেই নয় বছরেই।

কেমন করে মীনা দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েশিশুদের প্রতীকে পরিণত হলো? এর পেছনে রয়েছে বহু গুণীজনের ভাবনা, শ্রম ও পরিকল্পনা। আজ থেকে ২৫-৩০ বছর আগে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মেয়েদের অবস্থা ছিল করুণ। তখন গ্রামের বেশির ভাগ মেয়েকে পড়তে দেওয়া হতো না। শহরেও অনেক মেয়ে পড়ালেখা করতে পারত না।

তখন সবার ধারণা ছিল, মেয়েরা ঘর-সংসার করবে; তাদের লেখাপড়ার কী দরকার। অল্প বয়সেই তাদের বিয়ে দেওয়া হতো। মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ভালো ভালো খাবার দেওয়া হতো। মেয়েরাও যে ভালো ভালো চাকরি করতে পারে, ব্যবসা করতে পারে—এটা কেউ চিন্তাই করতে পারত না।

এ অবস্থার তো পরিবর্তন হওয়া দরকার। তখন দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত সাতটি দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা (এখন সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা আটটি। পরে আফগানিস্তান যুক্ত হয়) ১৯৯০ সালকে ‘মেয়েশিশু দশক’ হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে মেয়েদের মর্যাদাপূর্ণ সামাজিক অবস্থান, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মেয়েশিশুদের অধিকার সংরক্ষণ, মেয়ে ও ছেলেশিশুদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এ সম্পর্কে সব অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়।

কিন্তু কীভাবে কাজটি করা হবে? তখন এই দেশগুলো ভাবল, মেয়েশিশুদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য এমন একটা কিছু করতে হবে, যা তাদের অবস্থার পরিবর্তনে সহায়ক হবে। দায়িত্ব পড়ল জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) ওপর। ইউনিসেফ চিন্তা করল, যদি এমন একটা চরিত্র সৃষ্টি করা যায়, যে পড়ালেখা করে এমন কিছু কাজ করবে, যা দেখে মেয়েদের মা-বাবারা বুঝতে পারবেন যে মেয়েদেরও লেখাপড়া করানো দরকার। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। ডেনমার্কের আর্থিক সহায়তায় তৈরি করা হলো এক নতুন ধারাবাহিক অ্যানিমেশন কার্টুন ছবি, যার প্রধান চরিত্র হলো মীনা। নয় বছরের মীনা ভীষণ হাসিখুশি একটি মেয়ে। সবার জন্য ভালো কিছু করতে মীনা সবার আগে থাকে। সব সময়ই তার আগ্রহ, কিসে এলাকার মানুষের উপকার হয়। যখনই মা-বাবার দরকার পড়ে, তখনই মীনা তাঁদের সাহায্য করে। ঘরের কাজও যেমন করে, তেমনি পড়ালেখাও করে। মীনা কার্টুন তৈরির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত







Theme Created By ThemesDealer.Com