রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বাতেনের অপসারণ দাবিতে আবারও আন্দোলন ২০ হাজার টাকা বেতনে চালডালে চাকরি যশোরে ফেসবুকে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দেয়ায় যুবক গ্রেফতার বিশুদ্ধ আত্মা নিয়ে আমার কাছে এসো: পরীমণি বিএনপির বক্তব্যে মনে হয় কুমিল্লার ঘটনা তারাই ভালো জানে: তথ্যমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ও উপজেলা চেয়ারম্যানের তিস্তা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ আ’লীগের সা: সম্পাদক মফিজুরের ২নং ঘিবায় নির্বাচনী জনসভা সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী সিরাজদিখানে আনিসুর রহমান রিয়াদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে গণঅনশন ও বিক্ষোভ

একজন নারী ব্রয়লার মুরগীর কাটা মাংস বিক্রেতার গল্প

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ / ৫২ বার
আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মনিজা বেগম একজন ব্রয়লার মুরগীর কাটা মাংস বিক্রেতা নারী কসাই । দেশের নারীদের অনুকরণীয় মনিজা নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে সংসারের অভাব পূরণ করে যাচ্ছেন।

মনিজা বেগম দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের জমিদারনগর আশ্রয়ণের বাসিন্দা। ভবঘুরে মোস্তাফিজুর রহমানের সহধর্মিণী। অভাবের সংসার, স্বামী ভবঘুরে। দুই ছেলে, এক মেয়ের জননী মনিজা বেগম। অভাবের সংসারে একটু সুখের মুখ দেখার আশায় জমিদারনগর বাজারে ছোট একটি ছাউনি দিয়ে একটি ছোট চৌকি ফেলে দোকান শুরু করেন তিনি। শুরুটা করেন ১ টি ব্রয়লার মুরগী দিয়ে। বর্তমানে মনিজা প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী বাজার পাকেরহাট থেকে চার-পাঁচটি করে ব্রয়লার মুরগী নিয়ে এসে তা কেটে বিক্রি করেন। মনিজার অক্লান্ত পরিশ্রমের পরেও পুঁজির অভাবে তার ব্যবসার পরিধি বাড়াতে পারছিলেন না। যার কারণে সংসারে দারিদ্র্য পিছু ছাড়েনা এমনটিই বলেন মনিজা।

মনিজার বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেখে খানসামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম সেখানের স্থানীয় সাংবাদিক চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ এর কাছে মনিজার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন।

সঠিক সব তথ্য জেনে ২৭ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মণিজা বেগমের হাতে ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।
এ বিষয়ে খানসামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, দেশে এই ধরনের নারী উদ্যােক্তা সত্যিই দুর্লভ। খানসামা উপজেলার এই নারী ব্রয়লার মাংস বিক্রেতার জীবন সংগ্রাম সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। দারিদ্র্যতার চরম শিখরে গিয়েও যে নারী মানুষের কাছে হাত না পেতে নিজের শ্রম দিয়ে সংসার পরিচালনার মত সাহস নিয়ে সংসারের হাল ধরেছে, তার হাতে এই অর্থ তুলে দিতে পেরে ভাল লাগছে। তার সার্বিক সফলতা কামনা করছি। আশা করছি আগামাীতে মনিজাকে দেখে নতুন নতুন নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে।

এরপর মনিজার সাথে কথা বললে সে খুশিতে কেঁদে ফেলে এবং বলে, স্যার মেল্লা ভালো মানুষ, মোখ মেল্লা টাকা দিছে। এই টাকা দিয়া মেল্লা মুরগী আনিম, আর মোর সংসারোত অভাব থাকিবেনা। ইউএনও স্যারের আল্লাহ ভালো করুক।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত




Theme Created By ThemesDealer.Com