শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

দোকান ঘর দখলের প্রতিবাদে জলঢাকায় অসহায় পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি / ১৯ বার
আপডেট সময় শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসানঃ মালামাল লুটপাট করে দোকান ঘরে দখলের প্রতিবাদে নীলফামারীর জলঢাকায অসহায় পরিবার সংবাদ সন্মেলন করেছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পশ্বিম গোলমুন্ডার বনগ্রাম জুম্মা পাড়া গ্রামের নিজ বাড়ীতে সংবাদ সন্মেলন করেন ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারর।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দোকানের মালিক নবীজুল ইসলাম। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ডালিয়া জলঢাকা সড়কের কাকরা চৌপুতিতে রাস্তার পূর্বপার্শ্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একোয়ারভুক্ত জমিতে উত্তর সোনাখুলী (ডিমলা)’র ফজলুর রহমান ও আফজাল হোসেন এর দোকানঘর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত সেখানে কনফেকশনারী, চা ও বিস্কুটের ব্যবসা করে আসছি।

কিন্তু, কিছু দিন ধরে এলাকার কিছু দুষ্কৃতিকারি আমার দোকানের মালামাল লুটপাট ও দোকান দখল করার হুমকি দিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ বুধবার আনুমানিক সকাল ৬টায় দুর্বৃত্তকারীরা আমার তালা বন্ধ থাকা দোকানের তালা ভেঙ্গে অনাধিকার প্রবেশ করে দোকানে থাকা বিভিন্ন জিনিস সহ আসবাব পত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।

যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। পরে জোরপূর্বক দোকান ঘরটিও দখল করে নেওয়ায় সবমিলিয়ে ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হই।

ওরা আমার সবকিছু লুটে নিয়েও প্রাণ নাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। আমি একজন হার্টের রোগী হওয়ায় কোনও প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছি না।

এই দোকানটিই ছিল আমার আয়ের একমাত্র উৎস।এ দোকানের আয় দিয়েই চলে আমার সংসার। দোকানটি না থাকলে পরিবার পরিজনকে নিয়ে আমাকে পথে বসতে হবে।

তাই এবিষয়ে আমি জলঢাকা থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনও প্রতিকার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে ০২/০৯/২১ নীলফামারী বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি।

তাই দোকান উদ্ধারের প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী সহ সন্তানেরা।

প্রতিপক্ষ রফিকুল ইসলাম বুলেট জানায় নবীজুল রিক্সা ভ্যান চালাতো।সংসারে অভাব অনটনের কথা চিন্তা করে তাকে দোকানটি ভাড়া দিয়েছি ৬ বছর আগে।

প্রথমদিকে ঠিকমতো ভাড়া দিলেও ৮ মাস ভাড়া না দেওয়ায় আমি দোকান ছাড়তে বলি।জলঢাকা থানায় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে ৮ মাস পরে দোকান ছাড়িয়া দিবে বলে এ-ই মর্মে উভয় পক্ষ অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করি।

এ-র মেয়াদ ৩০ আগষ্ট ২১ তারিখ শেষ হয়েছে। লুটপাটের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন আসবাবপত্র গুলো ৪০ হাজার টাকায কিনে নিয়েছি আর বাকী মালামাল অনেকেই কিনে নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com