শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিশ্বনাথে ১৫ গ্রামবাসীর স্মারকলিপি বিশ্বনাথে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মশালা নওগাঁর বদলগাছীতে চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠিত…. ১২ কোটিরও বেশি টাকার মালিক নোয়াখালী বিআরটিএ কর্মকর্তা ফারহানুল ইসলাম! ঠাকুরগাঁওয়ে এমপি রমেশ সেনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ কলারোয়ায় পুলিশের সোর্স এর হামলায় র্যাব এর সোর্পদ আহত বিশ্বনাথে প্রবাসী কল্যান সমিতির কর্তৃক কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান সিরাজদিখানে নিটল টাটা মটরসের গ্রাহক বন্ধু সুরক্ষা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

‘ভূতুড়ে’ পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম / ২৭ বার
আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্টঃ গত দুই বছরে প্রায় সাড়ে ৪০০ পত্রিকা একটি কপিও ডিএফপিতে জমা দেয়নি। এসব পত্রিকাগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে৷ ইতোমধ্যেই ১০০টি এমন পত্রিকার ডিক্লেরেশন বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৪ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ভূতুড়ে পত্রিকাগুলো সাংবাদিকদের কোনো বেতন দেয় না। তারা আইডি কার্ড বিতরণ করে৷ এসব সাংবাদিকরা চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। যার কারণে সাংবাদিক সমাজের ওপর বদনাম হয়।

তিনি বলেন, অনলাইন গণমাধ্যম এখন বাস্তবতা৷ যে কারণে সরকার অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধনের কাজ করছে। ইতোমধ্যেই পাঁচ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

এর মধ্যে খোঁজ-খবর নিয়ে আমরা মাত্র ১৫০টি অনলাইনকে নিবন্ধন দিয়েছি। একসঙ্গে যেসব অনলাইন ভিন্ন উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে সেগুলো বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাকশালের সময়ে চারটি পত্রিকা বাদে অন্যান্য পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, সে সময় কোনো সাংবাদিক বেকার হয়নি। তাদের বিভিন্ন জায়গায় চাকরি দেয়া হয়েছে।

যারা চাকরি পাননি, তাদের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে টাকা দেয়া হতো। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকবান্ধব নেতা ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকেও সাংবাদিকরা অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছিলেন।

যে কারণে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ছড়িয়ে দেয়া খুব সহজ হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের সাংবাদিকদের জন্য যা করেছেন তা অন্য কেউ করেননি।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে হাজার হাজার সাংবাদিক উপকৃত হচ্ছেন। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এখন সাংবাদিকদের ভরস্র স্থানে পরিণত হয়েছে।

করোনাকালে এখান থেকে যে সহযোগিতা করা হয়েছে, তা অন্য কোনো দেশের সাংবাদিকদের করা হয়নি। এখন সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের রাষ্ট্রের বিকাশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের বিকাশের স্বার্থে গণমাধ্যমের বিকাশ যেমন প্রয়োজন। তেমনি সাংবাদিকদের নীতি-নৈতিকতার বিকাশ হওয়া প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের প্রচুর সমিতি হয়েছে। এটা নিয়ে সাংবাদিক সমাজকে ভাবতে হবে। এটা রাষ্ট্রের কাজ না, সাংবাদিক নেতারা এ বিষয়ে ভাববেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com