শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিশ্বনাথে ১৫ গ্রামবাসীর স্মারকলিপি বিশ্বনাথে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মশালা নওগাঁর বদলগাছীতে চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠিত…. ১২ কোটিরও বেশি টাকার মালিক নোয়াখালী বিআরটিএ কর্মকর্তা ফারহানুল ইসলাম! ঠাকুরগাঁওয়ে এমপি রমেশ সেনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ কলারোয়ায় পুলিশের সোর্স এর হামলায় র্যাব এর সোর্পদ আহত বিশ্বনাথে প্রবাসী কল্যান সমিতির কর্তৃক কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান সিরাজদিখানে নিটল টাটা মটরসের গ্রাহক বন্ধু সুরক্ষা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

মুন্সীগঞ্জে কামারপাড়ায় কোন ব্যস্ততা নেই

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি / ৬৪ বার
আপডেট সময় বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

নাসিমা সুলতানা, রিতাঃ আর মাত্র কয়েকদিন পরই মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এ ঈদ সামনে কোরবানির জন্য কামারপাড়া গুলোত নেই তেমন ব্যস্ততা । নেই হেমার, হাতুর দিয়ে পোড়া লোহার উপর বারীর টুং টাং শব্দ। বংশ পরম্পরায় এ পেশার সঙ্গে জড়িত কামার পরিবার গুলো পরম যত্ন সহকারে কোরবানির পশু জবাই করার জন্য চাপাতি, চাকু, ছুরিসহ ধারালো সব সামগ্রী তৈরি করেন । অথচ এবছর করোনার কারণে তাদের কাজ অনেক অংশেই কমে গেছে।

সরেজমিনে জেলার টঙ্গীবাড়ী, সিরাজদীখান, লৌহজং, শ্রীনগরের বিভিন্ন বাজারের কামারপাড়া গুলোতে গিয়ে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে।

কামারদের সাথে কথা বলেলে তারা জানান, আমাদের কাজ নেই বললেই চলে। এখন অনেকটাই অলস সময় পাড় করছি, করোনা ভাইরাস যখন ছিল না তখন এই সময়ে কাজের ব্যস্ততায় ভাত খাওয়ারও সময় থকতো না। আর আমাদের মনে হচ্ছে করোনার কারণে এ বছর কোরবানির পশু জবাই কম হবে৷ তাই তো এবার দা,বটি, ছুরি, চাকু, চাপাতি ও পশু জবাই করার বড় আকারের ছোরা বানাতে আসছেন না তেমন কোন কাস্টমার।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা বাজারের কামার সুধীর দাস (৪৬) (সুধীর কামার) বলেন, আমি প্রায় ২৩ বছর ধরে এ পেশায় জড়িয়ে আছি। আমার বাপ-দাদার পেশা ছিল এটা আমরা এ পেশাতেই জিবিকা নির্বাহ করছি। করোনা ভাইরাস এর আগেকার সময়ে কোরবানির ঈদ আসলে আমার এখানে দৈনিক ৫থেকে থেকে ৬ হাজার টাকা রোজগার করতাম৷ অথচ গেল বছর কোরবানির ঈদের সামনে তেমন আয় রোজগার হয়নি৷ আর এ বছরও হাতে তেমন কোন কাজ নেই।

সিরাজদীখান উপজেলার তালতলা বাজারের কামার মিত্তি মন্ডল (৫০) বলেন, এই লকডাউনের সময় কোনদিন ২০০(দুইশত) কোনদিন ৩০০(তিনশত) টাকার বেশি কাজ করতে পারি না। এ টাকায় সংসার চলে না। সংসারে বাবা, মা, স্ত্রী ও ২ মেয়ে ১ ছেলে সন্তান রয়েছে। মনে করেছিলাম ঈদ ঘিরে কিছু কাজ কাম বেশিই হইব তা আর হইলো কই করোনা ভাইরাসেই তো সব শেষ কইরা দিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com