মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেটের পি.পি নওশাদ আহমদের সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে ক্যান্সারে আক্রান্তের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করলেন প্রবাসী রাসেল আহমদ বিশ্বনাথে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ নোয়াখালীতে সেটেলমেন্ট অফিসারের ২৩ বছরের কারাদণ্ড শাহজাদপুরে সৌর বিদ্যুৎ চালিত সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিরাজদিখানে অবৈধ ড্রেজারে পাইপ অপসারণ রাজাপুরে স্কুলের আর্থিক অনিয়মের প্রতিবাদে ও জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পাহাড়পুর বিষপাড়ায় পানিতে ডুবে- ডেড় বছর বয়সী শিশুর মর্মান্তিক মিত্যু ঝালকাঠিতে ১৬৯টি পূঁজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজে কারিগররা ব্যস্ত

মোরেলগঞ্জে লকডাউন পরবর্তী বাজারে উপচে পড়া ভিড়

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)  / ৪৪ বার
আপডেট সময় সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১

মোঃরফিকুল ইসলামঃ করোনার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে টানা লকডাউন আর বিধি-নিষেধের কবলে পড়ে দেড় বছর ব্যবসা হারায় মোরেলগঞ্জের পাইকারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। একই কারণে উৎপাদন ও বিপণনে জড়িত উদ্যোক্তাদেরও ঘুরে দাঁড়ানো স্বপ্ন বিলীন হওয়ার পথে। টানা ২১ দিনের লকডাউনের পর পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে ১৫ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬ টা পর্যন্ত সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে মোরেলগঞ্জ সদর বাজার সহ সর্বত্র দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ব্যবসায়ীদের চোখে মুখে দেখা দিয়েছে ক্ষতি পুষিয়ে নেবার স্বপ্ন।

আরও পড়ুন>> জাবি হায়ার স্টাডি ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষিত

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গেল বছরের মার্চ মাস থেকে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার পর বারংবার লকডাউন আর নিশেধাজ্ঞায় ব্যবসা বাণিজ্য ধ্বংসের পথে। পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হওয়ার পথে প্রায় আমরা। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব থেকে শুরু করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো প্রায়ই বন্ধই ছিল। ফলে উপযুক্ত বেচাকেনার অভাবে লোকসানের কবলে পড়ে ব্যবসায়ীরা চোখে মুখে অন্ধকার দেখেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে করোনার ভয়ঙ্কর প্রকোপ থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীদের কথা ভেবে আগামী আট দিন সামাজিক দূরত্ব মেনে সরকার যে সুযোগ দিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে কিছুটা হলেও ক্ষতি পোষানো যাবে।
ইতোমধ্যে গত তিন দিনে বাজারে ক্রেতাদের ভালো উপস্থিতি দেখা গেছে। মুদি, মনোহারি, জুতা, কাপড়ের দোকান, ছাড়াও হার্ডওয়ার, কসমেটিক্স, ইলেক্টনিক্স সহ সর্বত্রই জমজমাট দেখো গেছে। হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোতেও ভিড় দেখা গেছে। সর্বত্রই বেচাকেনা হচ্ছে আশানুরুপ বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুন>> বিচ্ছিন্ন চরে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন ইউএনও

পোশাক ব্যবসায়ী নবাব গার্মেন্টসের মালিক রবিউল জানান, জেলা পর্যায়ে এক সপ্তাহ এবং সারাদেশে দুসপ্তাহ টানা তিন সপ্তাহ লকডাউন ও গত দেড়বছর ধরে বার বার লকডাউন আর বিধি নিষেধে পড়ে শুধু আমিই নই ব্যবসায়ীদের সবাই ক্ষতির সম্মুখীন । কারণ ঘরভাড়া, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল সহ অনেক খরচ তো স্থির হয়ে আছে। বিক্রি করতে না পারলে কিভাবে টেকা যায়! তবে আগামী আট দিনে এভাবে চললে ক্ষতি কিছুটা হলেও পোষানো যাবে বলে তিনি জানান।

এদিকে একই কথা বললেন বাজারের কয়েকজন মুদি ব্যবসায়ী। প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রেতা রেজাউল ইসলাম বললেন, লকডাউনে দোকান বন্ধ থাকলেও সাপ্তাহিক, মাসিক কিস্তি বন্ধ হচ্ছে না ফলে ঋণ নিয়ে যারা ব্যবসা করছেন তারা হয়ে পড়ছেন আরো ঋণী।
স্বর্ণ বিক্রেতারা বলছেন, সবাই যেমন তেমন আমাদের বেচাকেনায় ধস নেমেছে। করোনার এ পরিস্থিতিতে আর্থিক সংকটে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ফলে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে এ শিল্পে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত




Theme Created By ThemesDealer.Com