রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

যশোরে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত যেসব এলাকা

শাহারুল ইসলাম ফারদিন / ৫২৯ বার
আপডেট সময় সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

যশোর প্রতিনিধি ঃ গত ১৪ দিনের কোভিড-১৯ রোগীর সংক্রমণের উপর ভিত্তি করে যশোর জেলার বিভিন্ন স্থান কে রেড, ইয়েলো, গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রেড জোন এলাকায় পুরো পুরি ডিজি অফিসের অনুমতি সাপেক্ষে লক ডাউন পালন করা হবে। যশোর জেলার স্থানীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। গত কাল যশোর সিভিল সার্জনের একটা বিজ্ঞপ্তিতে যশোরের রেড,ইয়েলো, গ্রিন জোনের এলাকার নাম গুলো  প্রকাশ করা হয়েছে।

যশোরের রেড জোন এলাকাগুলো এক নজরে দেখে নিন

★যশোর সদর উপজেলার  আরবপুর ও পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড।

★কেশবপুর উপজেলার শুধু মাত্র পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড।

★চৌগাছা উপজেলার শুধুমাত্র পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড।

★ঝিকরগাছা উপজেলার পৌরসভার ২ও ৩ নং ওয়ার্ড।

★শার্শা উপজেলার   শার্শা ও পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড।

★অভয়নগর উপজেলার পৌরসভার ২,৪,৫,৬,৯ নং ওয়ার্ড ও বাগুটিয়া, পায়েরা,চলিশিরা রেড জোনের আওতাভুক্ত।

যশোরের ইয়েলো জোনের এলাকা গুলো এক নজরে দেখে নিন

★যশোর সদর উপজেলার  পৌরসভার ৬,৭,৮ নং ওয়ার্ড এবং হাশিমপুর,ফতেপুর, এন এস টাউন এলাকা সমূহ।

★চৌগাছা উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়ন।

★ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ও গদখালী ইউনিয়ন।

★অভয়নগর উপজেলার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড, প্রেমবাগ, শ্রীধরপুর, শুভরারা ইউনিয়ন।

★বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়ারী ইউনিয়ন।

★মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ও ঝাম্পা ইউনিয়ন।

এই দুই জোন ব্যতীত সকল এলাকা গ্রিন জোনের আওতাভুক্ত।

তথ্য সূত্রঃ যশোর জেলা সিভিল সার্জন।

বাংলাদেশের যেসব এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বেশি, সেসব এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করে লকডাউন করা হবে। লকডাউন চলাকালে ওই এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে।

দেশের বাকি এলাকার জন্য এখনকার মত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে গণপরিবহনসহ সব চালু থাকবে।

“যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ৬০ জন মানুষ কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, সেগুলোকে ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করে লকডাউনের আওতায় আনা হবে। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে সংক্রমণের বিস্ফোরণ হয়নি, এবং প্রতিদিন মৃত্যুহার ৫০ এর নিচেই আছে এখনো, সে কারণে আমাদের মনে হয়েছে আমরা যদি এখন জোনভিত্তিক লকডাউন করতে পারি, তাহলে হয়তো এটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।”

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে এর আগে মার্চের ২৬ তারিখ থেকে কয়েক দফায় মোট ৬৬দিন সাধারণ ছুটি ছিল। এরপর ৩১ শে মে থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে অফিস খুলে দেয়া হয়। পাশাপাশি চালু হয় গণপরিবহন এবং অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল।

প্রতিমন্ত্রী মি. হোসেন বলেছেন, ১৫ই জুনের পর থেকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করে লকডাউনের কাজ শুরু হবে।

তিনি জানান, যেখানে ‘রেড জোন’ হবে সেই এলাকাকে ব্লক করা হবে। ওই এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে। রেড জোনে লকডাউন বাস্তবায়ন করবে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা, এবং জেলা প্রশাসন।

প্রতিমন্ত্রী মি. হোসেন বলেছেন, “রেড জোনে দেওয়া লকডাউন ১৪ থেকে ২১ দিনের জন্য প্রযোজ্য হবে। সেখানে কোভিড-১৯ পরীক্ষায় বুথ বসানো হবে। সেখানে চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। খাবার, ওষুধ ও বাজারের সব ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে ভেতরেই করা হবে। সবদিক থেকে ওই এলাকাটিকে ঘিরে দেয়া হবে যাতে মানুষ বাইরে বের হতে না পারে, এবং বাইরে থেকে কেউ ঢুকতে না পারে।”

তবে, ‘রেড জোনে’র বাইরের এলাকার আর সাধারণ ছুটি দেয়া হবে না, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এখনকার মত সীমিত পরিসরে সবই চালু থাকবে।

“আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সংক্রমণ কমানো, সে কারণে অফিস-আদালত, ব্যাংক এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে এখনকার মত সীমিত পরিসরে কাজকর্ম চালু করা হয়েছে, অর্থাৎ এখন যেভাবে স্বল্প সংখ্যক কর্মী নিয়ে চলছে সেভাবেই চলবে আরও কিছুদিন। গণপরিবহনও চলবে।”

 





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত




Theme Created By ThemesDealer.Com