বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের হেলপার নিহত ইসকন মন্দিরে হামলা,র‌্যাবের অভিযানে আটক আরো- ৯ রাজাপুরের গৃহহীন ১১৭টি পরিবার পেল দালান ঘর কেবিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্টস সমিতির উপলক্ষে আলহাজ্ব ডাঃ আব্দুল হাই সরকারের স্মরণ সভা নলছিটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা সারাদেশে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা, হত্যা অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন বন্যার্তদের মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাপ্পি ত্রাণ বিতরণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্বনাথে উপজেলা ছাত্রলীগ বাংলাদেশের ওপর থেকে ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ফের পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মোটরসাইকেলে আগুন

লোহাগড়ায় ওএমএস এর পণ্য কিনতে উপচেপড়া ভিড়

নড়াইল প্রতিনিধি / ৩৯ বার
আপডেট সময় সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

শরিফুল ইসলামঃ লোহাগড়ায় করোনাকালে ওএমএসের চাল ও আটা ক্রয় করতে সকাল থেকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল-আটা না পেয়ে মলিন মুখে খালি হাতে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে অনেকে।

চাল-আটা বিক্রিকালে প্রচুর ভিড় থাকলেও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমনে লকডাউনে কর্মহীন সাধারন মানুষের সহায়তার জন্য সরকার লোহাগড়ায় পৌর এলাকায় গত ২৫ জুলাই থেকে
বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম চালু করেছে।

শুক্রবার ব্যতীত সপ্তাহের প্রতিদিনই সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত পৌরসভার ৩ টি বিক্রয় কেন্দ্রে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রয় করা হচ্ছে। সোমবার (২ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লোহাগড়া বাজারের ডিলার প্রবীর কুমার কুন্ডু ও লক্ষীপাশা বাজারের মুঞ্জুর শেখের দোকানে সকাল সাতটা থেকেই অনেকে লাইনে চাল -আটা নেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। তবে কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

নয়টা থেকে বিক্রয় শুরু হলেও লাইনে থাকা সবাই পাওয়ার আগেই দুই ঘন্টার মধ্যে বরাদ্দকৃত চাল-আটা শেষ হয়ে যায়। ফলে এই দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে থাকা অনেকেই চাল-আটা না পেয়ে খালি হাতে মলিন মুখে বাড়িতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। পৌর এলাকার গোপিনাথপুর গ্রামের বাবু শেখ, মর্জিনা বেগম, লোহাগড়ার সরদার পাড়ার বাসন্তি রায়, মহানন্দ পাল, লক্ষীপাশা গ্রামের সন্তোষসহ অনেকে জানান, আমরা পরপর দুই দিন দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে থেকেও চাল আটা পাইনি।

আমাদের মত অনেকেই না পেয়ে মনে কষ্ট নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। ওএমএস ডিলার প্রবীর কুমার কুন্ডু মদন জানান, সকাল থেকেই বিক্রয় কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে । চাল -আটা বরাদ্দের পরিমান কম হওয়ায় সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিনের নির্ধারিত বরাদ্দ দুই ঘন্টার মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলা হলেও কেউ কেউ মানছে না।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মান্নান আলী বলেন, পৌরসভার ৩ টি পয়েন্টে ওএমএস কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিক্রয় কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন একজন ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল এবং ১৮ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারবেন। প্রত্যেক ডিলার প্রতিদিন ১৫শ কেজি চাল এবং এক হাজার কেজি আটা নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রে বিক্রি করবেন।

অসহায় কর্মহীন লোকের চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় অনেকে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ডিলার এবং বরাদ্দের পরিমান বাড়ানোর জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত




Theme Created By ThemesDealer.Com