শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিশ্বনাথে ১৫ গ্রামবাসীর স্মারকলিপি বিশ্বনাথে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মশালা নওগাঁর বদলগাছীতে চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠিত…. ১২ কোটিরও বেশি টাকার মালিক নোয়াখালী বিআরটিএ কর্মকর্তা ফারহানুল ইসলাম! ঠাকুরগাঁওয়ে এমপি রমেশ সেনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল তিস্তার ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে বাশ ও গাছ দিয়ে বান্ডাল নির্মাণ কলারোয়ায় পুলিশের সোর্স এর হামলায় র্যাব এর সোর্পদ আহত বিশ্বনাথে প্রবাসী কল্যান সমিতির কর্তৃক কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান সিরাজদিখানে নিটল টাটা মটরসের গ্রাহক বন্ধু সুরক্ষা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

সিরাজদিখানে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে প্রথমবারের মতো ধান আবাদ

নোয়াখালী প্রতিনিধি / ৫৮ বার
আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

নাসিমা সুলতানা, রিতাঃ সিরাজদিখানে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধমে রোপা আমন ধান আবাদের কাজের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ ধরণের কাজ এখানে প্রথমবারের মতো করা হয়। এ উপলক্ষ্যে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সিরাজদিখান কৃষি অফিস এ কাজের বাস্তবায়ন করছেন।

আর এ কাজে এসিআই মটরস সহযোগিতা করছেন। আজ বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই সকাল ১১ টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের লালবাড়ি এলাকায় এই ধানের কাজের আবাদ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক খুরশেদ আলম। আর এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যান কুমার সরকার।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাসিনা জাহান তোরণ, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন, এসিআই মটরস মার্কেটিং অফিসার সুব্রত চন্দ্র ধর, যন্ত্রের মালিক কৃষক হুমায়ুন কবির সাগর, ইছাপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুখন চৌধুর ও কৃষক লিটন হোসেন।

মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ পরিচালক খুরশীদ আলম বলেন, ব্রি ধান ৪৯ ও বিনা ১১ জাতের রোপা আমন ধান এ বছর ৮ হেক্টর জমিতে রোপণ করা হবে। এছাড়া উন্নত বিশ্বে যান্ত্রিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই কৃষিতে বিপ্লব সাধিত হয়েছে।

দেরিতে ধান আবাদের ফলে বোরো, আমন ও আউশ মৌসুমে প্রতিদিনে হেক্টর প্রতি যথাক্রমে ৬০, ৫৫ ও ৯ কেজি ফলন কমে যায়। ফলশ্রুতিতে আশানুরূপ ফলন না হওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চারা আবাদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com