সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ

৫৪৩ দিন পর বিশ্বনাথের চন্দ্রগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু

রিপোর্টারের নাম / ১৭ বার
আপডেট সময় রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ফারুক আহমদ
স্টাফ রিপোর্টার

এমনটা কী আগে কখনো হয়েছিল ? কে জানে ! তবে আগে হোক না হোক, আজ রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর এক অন্যরকম স্কুলে ফেরার সাক্ষী হলো সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চন্দ্রগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রায় দীর্ঘ ১৮ মাস পর মুখে মাস্ক পরে তারা হাজির হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ভিন্ন রকম আয়োজনে বরণ করা হলো তাদেরকে। কপালে যন্ত্র তাক করে মাপা হলো শরীরের তাপমাত্রাও। সুপেয় পানি পান ও হাত ধুয়ার ভেসিন তৈরী করা হইছে নতুন আঙ্গিকে। এই অন্যরকম স্কুলে ফেরার মধ্য দিয়ে দেড় বছর পর আজ রোববার থেকে খুলেছে বিশ্বনাথের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। শুধু বিশ্বনাথ ই নয় অবশ্য, সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোই আজ থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গেল বছরের মার্চে বন্ধ করে দেওয়া হয় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর একের পর এক ছুটি শুধু বেড়েছে। অবশেষে দীর্ঘ ৫৪৩ দিন পর আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বার।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে থেকে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী, পঞ্চম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির প্রতিদিন এবং প্রথম থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
চলতি বছরের শেষভাগে এসএসসি ও এইচএসসির পাশাপাশি পঞ্চমের প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টমের জেএসসি-জেডিস এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আজ সকালে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চন্দ্র গ্রাম সরকারি পাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, হাতে ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করছেণ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সবার চোখেমুখে উচ্ছ্বাস। দীর্ঘদিন পর প্রিয় আঙিনায় ফেরার আনন্দ।
বেশ কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা জানিয়েছেন, শুরুতেই শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় চাপ দেওয়া হবে না। দীর্ঘদিন পর তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরেছে। আপাতত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার দিকেই বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে।

এসময় উপস্হিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৎপুর দারুল হাদিস কামিল মাদরাসার অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা শফিকুর রহমান, প্রধান শিক্ষক অনিমা রাণী দাস, প্রবাস বাংলা টিভির সিলেট প্রতিনিধি মো. কবির আহমদ, সাংবাদিক ফারুক আহমদ, বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক নিভা রাণী চক্রবর্তী, গীতা সামন্ত, শক্তি রাণী দাস, রেবা রাণী ঘটক, তপসি রাণী সরকার, মোছা: সাজনা বেগম, সপ্রিয়া কর, কর্মচারী অলক দাশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত
Theme Created By ThemesDealer.Com